১২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জের এম্বোশিয়া হোটেলে ভোটারদের সাথে স্বতন্ত্রপ্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের মত-বিনিময়

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ-৩(শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের সৌজনে শহরের প্রিয়াংঙ্গন মার্কেটের পাশে এম্বোশিয়া হোটেলে বসবাসকারী ভোটারদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে এই অভিজাত হোটেলে শহরে বসবাসকারী শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুরের ভোটারদের সাথে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরেশ ভদ্র চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও অনন্ত কুমার দাসের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন সুনামগঞ্জ-৩(শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন,ঝুলন কন্তি চৌধুরী,শম্ভু নাথ চন্দ,রাখেশ দাস,মোঃ ছমির আহমদ,রেশ চন্দ্র চক্রবর্তী,রঞ্জিত কুমার দাস,মনোরঞ্জন দাস,অরজিত চৌধুরী,সবিতা সূত্রধর,মোঃ রকি মিয়া,মোঃ নুরুজ্জামান,উত্তম চৌধুরী প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লন্ডন প্রবাসী ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন বলেছেন,আমি দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদি আদর্শে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কর্মী ছিলাম। আমি শেষ পর্যন্ত বিএনপির মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছি। আমার আসনের মানুষের ভালবাসায় শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্ধীতা করতে হচ্ছে। কিন্ত আমার এই আসনের মানুষজন শিক্ষা,স্বাস্থ্য,যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ রাস্তাঘাট,ব্রীজ,কালভার্ডসহ অবকাঠামো সমস্যায় রয়েছেন। আমি মনে করি সম্প্রীতির নির্দশন হিসেবে বাংলাদেশের যেকোন জেলার সাথে কম্পেয়ার করা হলে আমাদের এই জেলা সম্প্রীতির একটা অনন্য উদাহারণ। এই জেলায় বসবাসকারী হিন্দু,মুসলিম,বৌদ্ধ,খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠির মাঝে যে একটা ভাতৃত্বের বন্ধন রয়েছে তা বর্তমান এবং আগামি প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা সেই ধারাবাহিকতা সমুন্নত রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমি সাধারন ভোটারদের উৎসাহ উদ্দীপনায় নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছে, তবে ভোটে নির্বাচিত হলে এই বিবিধ সমস্যাগুলো সমাধানে সকলের মতামতের ভিত্তিতে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জের সকল মানুষজনকে সাথে নিয়ে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে চাই। তিনি আরো বলেন,আমি জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ এই দুটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন,ওয়ার্ড ও গ্রাম ঘুরে মানুষের সাথে কথা বলেছি তাতে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। তিনি বলেন বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার যদি প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় সকল প্রার্থীদের সমানভাবে সুযোগ দেয়া হয় এবং ভোটারগণ নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন তাহলে নিশ্চয় তিনি নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় খবর

ময়মনসিংহে দাপুনিয়া ও ঘাগড়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সুনামগঞ্জের এম্বোশিয়া হোটেলে ভোটারদের সাথে স্বতন্ত্রপ্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের মত-বিনিময়

সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪০:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ-৩(শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের সৌজনে শহরের প্রিয়াংঙ্গন মার্কেটের পাশে এম্বোশিয়া হোটেলে বসবাসকারী ভোটারদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার দুপুরে এই অভিজাত হোটেলে শহরে বসবাসকারী শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুরের ভোটারদের সাথে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরেশ ভদ্র চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও অনন্ত কুমার দাসের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখেন সুনামগঞ্জ-৩(শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন,ঝুলন কন্তি চৌধুরী,শম্ভু নাথ চন্দ,রাখেশ দাস,মোঃ ছমির আহমদ,রেশ চন্দ্র চক্রবর্তী,রঞ্জিত কুমার দাস,মনোরঞ্জন দাস,অরজিত চৌধুরী,সবিতা সূত্রধর,মোঃ রকি মিয়া,মোঃ নুরুজ্জামান,উত্তম চৌধুরী প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লন্ডন প্রবাসী ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন বলেছেন,আমি দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদি আদর্শে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কর্মী ছিলাম। আমি শেষ পর্যন্ত বিএনপির মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছি। আমার আসনের মানুষের ভালবাসায় শেষ পর্যন্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্ধীতা করতে হচ্ছে। কিন্ত আমার এই আসনের মানুষজন শিক্ষা,স্বাস্থ্য,যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ রাস্তাঘাট,ব্রীজ,কালভার্ডসহ অবকাঠামো সমস্যায় রয়েছেন। আমি মনে করি সম্প্রীতির নির্দশন হিসেবে বাংলাদেশের যেকোন জেলার সাথে কম্পেয়ার করা হলে আমাদের এই জেলা সম্প্রীতির একটা অনন্য উদাহারণ। এই জেলায় বসবাসকারী হিন্দু,মুসলিম,বৌদ্ধ,খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠির মাঝে যে একটা ভাতৃত্বের বন্ধন রয়েছে তা বর্তমান এবং আগামি প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা সেই ধারাবাহিকতা সমুন্নত রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমি সাধারন ভোটারদের উৎসাহ উদ্দীপনায় নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছে, তবে ভোটে নির্বাচিত হলে এই বিবিধ সমস্যাগুলো সমাধানে সকলের মতামতের ভিত্তিতে জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জের সকল মানুষজনকে সাথে নিয়ে তাদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে চাই। তিনি আরো বলেন,আমি জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ এই দুটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন,ওয়ার্ড ও গ্রাম ঘুরে মানুষের সাথে কথা বলেছি তাতে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। তিনি বলেন বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার যদি প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় সকল প্রার্থীদের সমানভাবে সুযোগ দেয়া হয় এবং ভোটারগণ নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন তাহলে নিশ্চয় তিনি নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।