০৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগের দুই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৮ জানুয়ারি

 

জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত মানবতারিরোধী অপরাধের অভিযোগে সন্ত্রাসের দায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৮ জানুয়ারি। তারা হলেন- সংগঠটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই দিন ধার্য করেন।

এই দুইজন ছাড়াও এ মামলায় আরো ৫ জন আসামি রয়েছে। তারা হলেন- কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর আসামিদের আদালতে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ দেওয়া হয়। আজ ধার্য দিনে আসামিরা হাজির না হওয়ার পলাতক বিবেচনায় তাদের পক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্টেট ডিফেন্স বা রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেওয়া হয়।

গত ১৮ ডিসেম্বর এই সাতজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। একই দিন সকালে ট্রাইব্যুনাল-২ এর রেজিস্ট্রারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরে এ নিয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও গাজী তামীম।

শুনানিতে সাত আসামির আলাদা আলাদা অভিযোগ পড়ে শোনান তামিম। এর মধ্যে সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ (কাউন্ট) আনা হয়। অর্থাৎ নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানি। বাকিদেরও দায় তুলে ধরা হয়।

সুনির্দিষ্ট এসব অভিযোগ পড়া শেষে সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। এরপর অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল।

জনপ্রিয় খবর

নওগাঁয় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র চক্রের দুই সদস্যসহ ৯ জন আটক 

ছাত্রলীগের দুই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৮ জানুয়ারি

সর্বশেষ আপডেট : ১২:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত মানবতারিরোধী অপরাধের অভিযোগে সন্ত্রাসের দায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৮ জানুয়ারি। তারা হলেন- সংগঠটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই দিন ধার্য করেন।

এই দুইজন ছাড়াও এ মামলায় আরো ৫ জন আসামি রয়েছে। তারা হলেন- কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর আসামিদের আদালতে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ দেওয়া হয়। আজ ধার্য দিনে আসামিরা হাজির না হওয়ার পলাতক বিবেচনায় তাদের পক্ষে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্টেট ডিফেন্স বা রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেওয়া হয়।

গত ১৮ ডিসেম্বর এই সাতজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। একই দিন সকালে ট্রাইব্যুনাল-২ এর রেজিস্ট্রারের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরে এ নিয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ও গাজী তামীম।

শুনানিতে সাত আসামির আলাদা আলাদা অভিযোগ পড়ে শোনান তামিম। এর মধ্যে সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ (কাউন্ট) আনা হয়। অর্থাৎ নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানি। বাকিদেরও দায় তুলে ধরা হয়।

সুনির্দিষ্ট এসব অভিযোগ পড়া শেষে সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়। এরপর অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল।