১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থী নেই, তবু বছরে ৭৬ লাখ টাকা লুট

রাজশাহী প্রতিনিধি

গোদাগাড়ী সরকারি কলেজে বিএমটি শাখায় ‘ভূতুড়ে শিক্ষক-কর্মচারী’, অভিযোগের পাহাড়ে অধ্যক্ষ মইনুল ইসলাম,
রাজশাহীর গোদাগাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ভয়াবহ অনিয়ম ও সরকারি অর্থ লুটের অভিযোগ উঠেছে। কলেজের বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি (বিএমটি) শাখায় একটিও শিক্ষার্থী না থাকলেও সেখানে কর্মরত ১৪ জন শিক্ষক ও কর্মচারীকে বছরে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের ভাষায়, এটি একটি কার্যত ‘ভূতুড়ে শাখা’, যেখানে শিক্ষার্থী না থাকলেও সরকারি অর্থ নিয়মিত তুলে নেওয়া হচ্ছে।
এই অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে কলেজের অধ্যক্ষ মইনুল ইসলামের নাম। শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে বিএমটি শাখায় ভর্তি বন্ধ রেখে বছরের পর বছর ধরে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন।
অনলাইনে ভর্তি, কিন্তু কলেজে নিষেধাজ্ঞা
২০২৫- ২৬ শিক্ষাবর্ষে বিএমটি শাখায় অনলাইনে আবেদন ও নিশ্চয়ন সম্পন্ন করা আটজন শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তি হতে গেলে অধ্যক্ষ সরাসরি জানিয়ে দেন—এই শাখায় ভর্তি নেওয়া হবে না। তিনি শিক্ষার্থীদের অন্য কলেজে চলে যেতে বলেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ, নসিব, আহসান হাবিব হৃদয় ও শরিফুল ইসলাম জানান, অনলাইনে আবেদন করার পর কলেজে কাগজপত্র নিয়ে গেলে অধ্যক্ষ স্পষ্ট ভাষায় ভর্তি না নেওয়ার কথা জানান। বাধ্য হয়ে তারা অন্য কলেজে ভর্তি হন।
কম্পিউটার দোকানেও ‘ভর্তিবিরোধী বার্তা’
বাংলা বিভাগের প্রভাষক শফিকুল ইসলাম তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিএমটি শাখায় যেন কেউ আবেদন না করে, সে জন্য অধ্যক্ষ তার লোকজন দিয়ে উপজেলা সদরের বিভিন্ন কম্পিউটার দোকানে আগেই নিষেধাজ্ঞার বার্তা পাঠান। তবুও অনলাইনে সুযোগ থাকায় কিছু শিক্ষার্থী আবেদন করেন।
শিক্ষার্থী নেই, তবু ১৪ জনের বেতন!
অভিযোগ অনুযায়ী, বিএমটি শাখায় বর্তমানে কোনো শিক্ষার্থী নেই। তবুও সেখানে ১৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে বসিয়ে রেখে বছরে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা বেতন-ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি সরাসরি সরকারি অর্থের অপচয় ও লুটপাট।
রাজনৈতিক পরিচয়ে ক্ষমতার দাপট
অধ্যক্ষ মইনুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। অভিযোগ রয়েছে, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর তিনি প্রায় এক মাস আত্মগোপনে ছিলেন। পরে কলেজে ফিরে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে বিপরীত মতাদর্শের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে হয়রানি শুরু করেন।
এরই অংশ হিসেবে বাংলা বিভাগের প্রভাষক শফিকুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
হাজিরা জালিয়াতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ২২ অক্টোবর শফিকুল ইসলাম নিয়ম অনুযায়ী ক্লাসে উপস্থিত থাকলেও অধ্যক্ষ তাকে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত দেখান। অথচ একই দিন মনোবিজ্ঞানের প্রভাষক নুরুজ্জামান পুরো ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলেও তাকে অনুপস্থিত দেখানো হয়নি—কারণ তিনি অধ্যক্ষের ঘনিষ্ঠ অনুসারী।
এভাবে হাজিরা জালিয়াতি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে অপছন্দের শিক্ষকদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
সরকারি ছুটি উপেক্ষা করে ক্লাসের নির্দেশ
অভিযোগে আরও বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১২ দিনের ছুটি উপেক্ষা করে অধ্যক্ষ ৮ অক্টোবর থেকেই ক্লাস চালুর নির্দেশ দেন। ছুটি থাকায় ওইদিন কলেজে মাত্র ২০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
হাজিরা খাতা গায়েবের চেষ্টা?
প্রভাষক শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন,গত ২২/১০ /২০২৫ ইং রোজ বুধবার ৯.১৫এর সময়ে ক্লাস ছিলো। উনি যথাসময়ে ক্লাসে উপস্হিত হয়ে যথাসময়ে ক্লাস শেষ করে লুজশীটে স্বাক্ষর করতে গেলে দেখেন মন্তবের কলামে অনুপস্হিত লেখা আছে। বিষয়টি অধ্যক্ষ মহোদয়কে অবগত করলে অধ্যক্ষ মহোদয় বলেন আপনি ক্লাসে ছিলেন না। পরবর্তীতে অধ্যক্ষ মহোদয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোঃশফিকুল ইসলাম প্রভাষক বাংলাকে শোকজ করেন। উনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ডকুমেন্ট সহ জবব দাখিল করলেও উনি সন্তোষ্টি হতে পরেননি বলে তিন সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন করেন। যা চলমান রয়েছে। এবং উনি তদন্ত কমিটিকে ৩৪জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন এর প্রমাণ স্বরূপ হাজিরা খাতার ফটোকপি ডকুমেন্ট হিসেবে জমা দেন। অধ্যক্ষ নিয়মিত ‘লাল হাজিরা খাতা’ বাদ দিয়ে কলেজের প্যাডে ছাপানো লুজশিটে শিক্ষকদের হাজিরা নিচ্ছেন। কারণ, গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তিনি প্রায় এক মাস কলেজে অনুপস্থিত ছিলেন, যার প্রমাণ লাল হাজিরা খাতায় রয়েছে।
আগেও অভিযোগ, চলমান তদন্ত
উল্লেখ্য, আওয়ামী সরকারের আমলেও অধ্যক্ষ মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এসব বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। সম্প্রতি বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষসহ একটি তদন্ত দল সরেজমিনে তদন্ত করে গেছেন। এর মধ্যেই শিক্ষার্থী ভর্তি না নেওয়া ও শিক্ষক হয়রানির নতুন অভিযোগ সামনে এলো।
বক্তব্য এড়ালেন অধ্যক্ষ
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোমবার অধ্যক্ষ মইনুল ইসলামকে চারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো প্রশ্নেরও কোনো জবাব দেননি।
কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন,
“বিষয়গুলো আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে অধ্যক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাইব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জনপ্রিয় খবর

নওগাঁয় বিল থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার,

শিক্ষার্থী নেই, তবু বছরে ৭৬ লাখ টাকা লুট

সর্বশেষ আপডেট : ০৩:২৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী প্রতিনিধি

গোদাগাড়ী সরকারি কলেজে বিএমটি শাখায় ‘ভূতুড়ে শিক্ষক-কর্মচারী’, অভিযোগের পাহাড়ে অধ্যক্ষ মইনুল ইসলাম,
রাজশাহীর গোদাগাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ভয়াবহ অনিয়ম ও সরকারি অর্থ লুটের অভিযোগ উঠেছে। কলেজের বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি (বিএমটি) শাখায় একটিও শিক্ষার্থী না থাকলেও সেখানে কর্মরত ১৪ জন শিক্ষক ও কর্মচারীকে বছরে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের ভাষায়, এটি একটি কার্যত ‘ভূতুড়ে শাখা’, যেখানে শিক্ষার্থী না থাকলেও সরকারি অর্থ নিয়মিত তুলে নেওয়া হচ্ছে।
এই অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে কলেজের অধ্যক্ষ মইনুল ইসলামের নাম। শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে বিএমটি শাখায় ভর্তি বন্ধ রেখে বছরের পর বছর ধরে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন।
অনলাইনে ভর্তি, কিন্তু কলেজে নিষেধাজ্ঞা
২০২৫- ২৬ শিক্ষাবর্ষে বিএমটি শাখায় অনলাইনে আবেদন ও নিশ্চয়ন সম্পন্ন করা আটজন শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তি হতে গেলে অধ্যক্ষ সরাসরি জানিয়ে দেন—এই শাখায় ভর্তি নেওয়া হবে না। তিনি শিক্ষার্থীদের অন্য কলেজে চলে যেতে বলেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ, নসিব, আহসান হাবিব হৃদয় ও শরিফুল ইসলাম জানান, অনলাইনে আবেদন করার পর কলেজে কাগজপত্র নিয়ে গেলে অধ্যক্ষ স্পষ্ট ভাষায় ভর্তি না নেওয়ার কথা জানান। বাধ্য হয়ে তারা অন্য কলেজে ভর্তি হন।
কম্পিউটার দোকানেও ‘ভর্তিবিরোধী বার্তা’
বাংলা বিভাগের প্রভাষক শফিকুল ইসলাম তার লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিএমটি শাখায় যেন কেউ আবেদন না করে, সে জন্য অধ্যক্ষ তার লোকজন দিয়ে উপজেলা সদরের বিভিন্ন কম্পিউটার দোকানে আগেই নিষেধাজ্ঞার বার্তা পাঠান। তবুও অনলাইনে সুযোগ থাকায় কিছু শিক্ষার্থী আবেদন করেন।
শিক্ষার্থী নেই, তবু ১৪ জনের বেতন!
অভিযোগ অনুযায়ী, বিএমটি শাখায় বর্তমানে কোনো শিক্ষার্থী নেই। তবুও সেখানে ১৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে বসিয়ে রেখে বছরে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা বেতন-ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি সরাসরি সরকারি অর্থের অপচয় ও লুটপাট।
রাজনৈতিক পরিচয়ে ক্ষমতার দাপট
অধ্যক্ষ মইনুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। অভিযোগ রয়েছে, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর তিনি প্রায় এক মাস আত্মগোপনে ছিলেন। পরে কলেজে ফিরে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে বিপরীত মতাদর্শের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে হয়রানি শুরু করেন।
এরই অংশ হিসেবে বাংলা বিভাগের প্রভাষক শফিকুল ইসলাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
হাজিরা জালিয়াতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ২২ অক্টোবর শফিকুল ইসলাম নিয়ম অনুযায়ী ক্লাসে উপস্থিত থাকলেও অধ্যক্ষ তাকে হাজিরা খাতায় অনুপস্থিত দেখান। অথচ একই দিন মনোবিজ্ঞানের প্রভাষক নুরুজ্জামান পুরো ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলেও তাকে অনুপস্থিত দেখানো হয়নি—কারণ তিনি অধ্যক্ষের ঘনিষ্ঠ অনুসারী।
এভাবে হাজিরা জালিয়াতি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে অপছন্দের শিক্ষকদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
সরকারি ছুটি উপেক্ষা করে ক্লাসের নির্দেশ
অভিযোগে আরও বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১২ দিনের ছুটি উপেক্ষা করে অধ্যক্ষ ৮ অক্টোবর থেকেই ক্লাস চালুর নির্দেশ দেন। ছুটি থাকায় ওইদিন কলেজে মাত্র ২০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
হাজিরা খাতা গায়েবের চেষ্টা?
প্রভাষক শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন,গত ২২/১০ /২০২৫ ইং রোজ বুধবার ৯.১৫এর সময়ে ক্লাস ছিলো। উনি যথাসময়ে ক্লাসে উপস্হিত হয়ে যথাসময়ে ক্লাস শেষ করে লুজশীটে স্বাক্ষর করতে গেলে দেখেন মন্তবের কলামে অনুপস্হিত লেখা আছে। বিষয়টি অধ্যক্ষ মহোদয়কে অবগত করলে অধ্যক্ষ মহোদয় বলেন আপনি ক্লাসে ছিলেন না। পরবর্তীতে অধ্যক্ষ মহোদয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোঃশফিকুল ইসলাম প্রভাষক বাংলাকে শোকজ করেন। উনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ডকুমেন্ট সহ জবব দাখিল করলেও উনি সন্তোষ্টি হতে পরেননি বলে তিন সদস্য তদন্ত কমিটি গঠন করেন। যা চলমান রয়েছে। এবং উনি তদন্ত কমিটিকে ৩৪জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন এর প্রমাণ স্বরূপ হাজিরা খাতার ফটোকপি ডকুমেন্ট হিসেবে জমা দেন। অধ্যক্ষ নিয়মিত ‘লাল হাজিরা খাতা’ বাদ দিয়ে কলেজের প্যাডে ছাপানো লুজশিটে শিক্ষকদের হাজিরা নিচ্ছেন। কারণ, গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তিনি প্রায় এক মাস কলেজে অনুপস্থিত ছিলেন, যার প্রমাণ লাল হাজিরা খাতায় রয়েছে।
আগেও অভিযোগ, চলমান তদন্ত
উল্লেখ্য, আওয়ামী সরকারের আমলেও অধ্যক্ষ মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এসব বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। সম্প্রতি বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষসহ একটি তদন্ত দল সরেজমিনে তদন্ত করে গেছেন। এর মধ্যেই শিক্ষার্থী ভর্তি না নেওয়া ও শিক্ষক হয়রানির নতুন অভিযোগ সামনে এলো।
বক্তব্য এড়ালেন অধ্যক্ষ
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোমবার অধ্যক্ষ মইনুল ইসলামকে চারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো প্রশ্নেরও কোনো জবাব দেননি।
কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন,
“বিষয়গুলো আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে অধ্যক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাইব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”