০৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরপুরে আমিনুল হকের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ায় মিললো সাইকেল

নিজস্ব প্রতিবেদক 

কিশোরদের নামাজের প্রতি আগ্রহী করতে এবং সুস্থ ও সুন্দর জীবন গঠনে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। পবিত্র রমজান মাসে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করায় নিজের নির্বাচনী এলাকার ৩১৭ জন কিশোরের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দিচ্ছেন নতুন সাইকেল।

রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরস্থ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এই সাইকেল বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী। এদিন মিরপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মাসব্যাপী নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়া ২৭ জন কিশোর এবং রূপনগর টিনশেড এলাকায় ১৮ জন কিশোরসহ মোট ৪৫ জন কিশোরের হাতে সাইকেল তুলে দেওয়া হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, “আমি ঘোষণা দিয়েছিলাম, আমাদের এলাকার ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী যে শিশুরা পুরো রমজান মাস মসজিদে এসে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে, তাদের আমি উৎসাহিত করতে সাইকেল উপহার দেব। আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু হলো।”

তিনি আরও বলেন, “পুরস্কার বড় কথা নয়, মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের মধ্যে নামাজের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং তাদের সঠিক পথে পরিচালিত করা। আমরা চাই আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে বেড়ে উঠুক। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তারা যেন এই নামাজের অভ্যাস সারাজীবন ধরে রাখতে পারে, সেজন্যই আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।”

প্রতিমন্ত্রী জানান, মিরপুরের ৪টি ওয়ার্ডের মোট ৬টি মসজিদে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে মোট ৩১৭ জন কিশোর এই উপহার পাচ্ছে। মিরপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পর রূপনগর টিনশেড এলাকায় ১৮ জন কিশোরের মাঝে সাইকেল বিতরণ করেন তিনি।

ভবিষ্যতে এই কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা ব্যক্ত করে আমিনুল হক বলেন, “এবার ৬টি মসজিদে এই আয়োজন করা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আগামী বছর এলাকার আরও বেশি সংখ্যক মসজিদে এই কার্যক্রম চালু করার চেষ্টা করব।”

সাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মসজিদের ইমাম ও খতিব এবং বিপুল সংখ্যক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রীর এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অভিভাবকরা বলেন, এই ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগ শিশুদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে এবং ধর্মীয় ও শারীরিক গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় খবর

মিরপুরে আমিনুল হকের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ায় মিললো সাইকেল

মিরপুরে আমিনুল হকের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ায় মিললো সাইকেল

সর্বশেষ আপডেট : ০২:৫৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক 

কিশোরদের নামাজের প্রতি আগ্রহী করতে এবং সুস্থ ও সুন্দর জীবন গঠনে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। পবিত্র রমজান মাসে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করায় নিজের নির্বাচনী এলাকার ৩১৭ জন কিশোরের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দিচ্ছেন নতুন সাইকেল।

রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরস্থ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এই সাইকেল বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী। এদিন মিরপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মাসব্যাপী নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়া ২৭ জন কিশোর এবং রূপনগর টিনশেড এলাকায় ১৮ জন কিশোরসহ মোট ৪৫ জন কিশোরের হাতে সাইকেল তুলে দেওয়া হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, “আমি ঘোষণা দিয়েছিলাম, আমাদের এলাকার ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী যে শিশুরা পুরো রমজান মাস মসজিদে এসে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে, তাদের আমি উৎসাহিত করতে সাইকেল উপহার দেব। আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু হলো।”

তিনি আরও বলেন, “পুরস্কার বড় কথা নয়, মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের মধ্যে নামাজের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং তাদের সঠিক পথে পরিচালিত করা। আমরা চাই আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে বেড়ে উঠুক। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তারা যেন এই নামাজের অভ্যাস সারাজীবন ধরে রাখতে পারে, সেজন্যই আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।”

প্রতিমন্ত্রী জানান, মিরপুরের ৪টি ওয়ার্ডের মোট ৬টি মসজিদে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। সব মিলিয়ে মোট ৩১৭ জন কিশোর এই উপহার পাচ্ছে। মিরপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পর রূপনগর টিনশেড এলাকায় ১৮ জন কিশোরের মাঝে সাইকেল বিতরণ করেন তিনি।

ভবিষ্যতে এই কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা ব্যক্ত করে আমিনুল হক বলেন, “এবার ৬টি মসজিদে এই আয়োজন করা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আগামী বছর এলাকার আরও বেশি সংখ্যক মসজিদে এই কার্যক্রম চালু করার চেষ্টা করব।”

সাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মসজিদের ইমাম ও খতিব এবং বিপুল সংখ্যক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রীর এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অভিভাবকরা বলেন, এই ধরনের সৃজনশীল উদ্যোগ শিশুদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে এবং ধর্মীয় ও শারীরিক গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।