০১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহ কাবাডি একাডেমির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মারুফ হোসেন :

পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্যকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ কাবাডি একাডেমির উদ্যোগে এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ ২০২৬) নগরীর এক মনোরম পরিবেশে আয়োজিত এই ইফতার মাহফিলে কাবাডি অঙ্গনের খেলোয়াড়, কোচ ও ক্রীড়া সংগঠকরা অংশগ্রহণ করেন।
রমজানের আধ্যাত্মিক আবহে আয়োজিত এই আয়োজন যেন মিলনমেলায় পরিণত হয়। কাবাডি পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে ইফতার করে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরা হয় এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া করা হয়।
কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি পঙ্‌ক্তি যেন এ আয়োজনের আবহকে আরও অর্থবহ করে তোলে—
“মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান।”
এই চেতনা থেকেই খেলাধুলা ও মানবিক মূল্যবোধকে একসূত্রে গাঁথার প্রত্যয়ে কাবাডি পরিবারের এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ কাবাডি একাডেমির সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক এম এ কাউছার মাহমুদ। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, কাবাডি শুধু একটি খেলা নয়, এটি শৃঙ্খলা, সাহস ও ঐক্যের প্রতীক। খেলোয়াড়দের মাঝে পারস্পরিক বন্ধন দৃঢ় করতে এবং নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার কাবাডি কোচ মাহবুবুল আলম রতন, ক্রীড়া সংগঠক কাজী মমিনুল হুদা ফুরকান, রাফিউল আলম রাফি, ময়মনসিংহ জেলার সাবেক কাবাডি দলের অধিনায়ক অনিক হাসান এবং বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি দলের সদস্য সাদ্দাম হোসেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জুনিয়র কাবাডি দলের খেলোয়াড় মাহবুবুর রহমান এবং অনূর্ধ্ব-১৮ কাবাডি দলের অধিনায়ক জুলফিকার মাহমুদ আকাশ। অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ কাবাডি একাডেমির অন্যান্য সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।
ইফতারের আগে দেশ, জাতি ও ক্রীড়াঙ্গনের উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও খেলোয়াড়রা একসঙ্গে ইফতার করেন।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও খেলোয়াড়দের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য আরও জোরদার করতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, কাবাডির মতো ঐতিহ্যবাহী খেলাকে এগিয়ে নিতে খেলোয়াড়, কোচ ও সংগঠকদের এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ উদ্যোগ ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

জনপ্রিয় খবর

ময়মনসিংহ কাবাডি একাডেমির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ কাবাডি একাডেমির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ আপডেট : ০৬:১৪:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

মারুফ হোসেন :

পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্যকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ কাবাডি একাডেমির উদ্যোগে এক আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ ২০২৬) নগরীর এক মনোরম পরিবেশে আয়োজিত এই ইফতার মাহফিলে কাবাডি অঙ্গনের খেলোয়াড়, কোচ ও ক্রীড়া সংগঠকরা অংশগ্রহণ করেন।
রমজানের আধ্যাত্মিক আবহে আয়োজিত এই আয়োজন যেন মিলনমেলায় পরিণত হয়। কাবাডি পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে ইফতার করে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরা হয় এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া করা হয়।
কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি পঙ্‌ক্তি যেন এ আয়োজনের আবহকে আরও অর্থবহ করে তোলে—
“মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান।”
এই চেতনা থেকেই খেলাধুলা ও মানবিক মূল্যবোধকে একসূত্রে গাঁথার প্রত্যয়ে কাবাডি পরিবারের এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ কাবাডি একাডেমির সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক এম এ কাউছার মাহমুদ। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, কাবাডি শুধু একটি খেলা নয়, এটি শৃঙ্খলা, সাহস ও ঐক্যের প্রতীক। খেলোয়াড়দের মাঝে পারস্পরিক বন্ধন দৃঢ় করতে এবং নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার কাবাডি কোচ মাহবুবুল আলম রতন, ক্রীড়া সংগঠক কাজী মমিনুল হুদা ফুরকান, রাফিউল আলম রাফি, ময়মনসিংহ জেলার সাবেক কাবাডি দলের অধিনায়ক অনিক হাসান এবং বাংলাদেশ পুলিশ কাবাডি দলের সদস্য সাদ্দাম হোসেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জুনিয়র কাবাডি দলের খেলোয়াড় মাহবুবুর রহমান এবং অনূর্ধ্ব-১৮ কাবাডি দলের অধিনায়ক জুলফিকার মাহমুদ আকাশ। অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ কাবাডি একাডেমির অন্যান্য সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন।
ইফতারের আগে দেশ, জাতি ও ক্রীড়াঙ্গনের উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও খেলোয়াড়রা একসঙ্গে ইফতার করেন।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও খেলোয়াড়দের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য আরও জোরদার করতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, কাবাডির মতো ঐতিহ্যবাহী খেলাকে এগিয়ে নিতে খেলোয়াড়, কোচ ও সংগঠকদের এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ উদ্যোগ ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।